পরিচিতি

আইনগত তথ্য

  • গভঃ রেজিঃ নং-সি-৮৫২২২/১০

উপদেষ্টা পরিষদ

প্রকল্প সমূহ

  • ল্যান্ড, এপার্টমেন্ট প্রকল্প
  • গার্মেন্টস, এগ্রোফুড ও কনজুমার ফুড ইন্ডাষ্ট্রি স্থাপন
  • মানসম্মত পণ্য আমদানী ও রপ্তানী
  • আধুনিক হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়ানোষ্টিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ফ্যামেলি মার্কেটিং
  • কৃষি খাতে বিনিয়োগ ইত্যাদি
  • বুশরা ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক এন্ড ফ্যামেলি মার্কেটিং

সংশ্লিষ্ট প্রকল্প

  • বুশরা বহুমূখী সমবায় সমিতি লিঃ
  • বুশরা এগ্রোফুড প্রোটাক্টস
  • বুশরা ফ্যামেলি মার্কেটিং

আমাদের লক্ষ্য

  • সকলের মাঝে ঐক্য ও সম্প্রীতি সৃষ্টি করা।
  • পূজিঁ, মেধা ও শ্রম এ তিনটির সমন্বয় ঘটানোর মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নতি সাধন
  • বেকার যুব সমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ
  • সমাজের প্রতিটি মুসলমানের হালাল রুজি কামাই করতে সহযোগিতা প্রদান
  • দূর্ণীতি, সুদ, ঘুষ ও যৌতুকের বিরুদ্ধে সামাজিক ঐক্য গড়ে তোলা
  • শিল্প, কল-কারখানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানসম্পন্ন পণ্যের বিকাশ ঘটানো
  • আকর্ষণীয় ও আধুনিক পদ্ধতিতে পণ্য বাজারজাত করার মাধ্যমে অধিকতর উন্নত সেবা প্রদান
  • লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করে সকলকে সাবলম্বি করে গড়ে তোলা
  • স্বতঃস্ফুর্ত সহযোগিতার মাধ্যমে দরিদ্র, শিশু, মহিলা ও আর্ত-মানবতার সেবা প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ব পালন
  • সকল কাজ ও ব্যবস্থাপনায় দেশ ও জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধির প্রচেষ্টা

ব্যবসা পদ্ধতিঃ

  • এক শ্রেণীর মানুষ আছে যাদের অনেক টাকা আছে, কিন্তু ব্যবসা করার মতো সাহস বা উদ্যোগ নেই।
  • সমগ্র দেশে তাকালেই দেখা যাবে, অসংখ্য লোক বেকার যার অন্যতম যার অন্যতম কারণ হলো সুবিধাজনক স্থায়ী কোন কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা না থাকা। বিশেষ করে শ্রমিক-কর্মচারী শ্রেণীর লোকহ, ক্ষু্দ্র উদ্যোগী ব্যবসায়ীগণ নিজেদের শ্রমঝক্তি ও উদ্যোগকে অর্থের অভাবে কোনো কাজে ব্যবহার করতে পারছে না।
  • সমীক্ষায় দেখা গেছে প্রতি বছর বাংলাদেশে ৩০ লক্ষ লোক শ্রম বাজারে প্রবেশ করে। অথচ, সরকারি ও বেসরকারিভাবে পাঁচ/ছয় লক্ষ লোকের কর্মসংস্থানও হয় না। এ অবস্থা দুঃখজনক হলেও সত্য। ফলে অনেক উদ্যোগী ও মেধাবী ছেলে তাদের মেধা ও উদ্যোগ অর্থাভাবে ব্যবহার করতে পারছে না।
  • বুশরা চায় উপরোক্ত তিন ধরনের মানুষের মাঝে একটি সম্মিলিত উদ্যোগ দানের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নতি ও সার্বিক সর্মদ্ধির সাধন ঘটাতে। যদি অর্থধারী ব্যক্তি তার অর্থ প্রদান করে তাহলে মেধা ও সাহস নিয়ে তা পরিচালনা করলে এমনিতেই শ্রম বা কর্মক্ষেত্র তৈরি হবে।
  • এবার আসুন, একটি প্রতিষ্ঠান হলো! তাতেই কিন্তু সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।
  • সাধারনতঃ একটি কোম্পানী তার নিসজ্ব পূজিঁর পাশাপাশি ব্যবসার গতিকে বাড়ানোর লক্ষ্যে ব্যাংক, কো-অপারেটিভ অথবা কোন ইনভেস্টকারী প্রতিষ্ঠান এর দারস্থ হয়। যদি ব্যাংকের দারস্থ হয়, তাহলে অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। কারণ বর্তমান ব্যাংকিং ব্যবস্থা ‘তেলা মাথায় তেল’ দেওয়ারই মতোই। এর সুফল ভোগ করছে এমন নজির খুবই বিরল। সর্বোপরি সুদভিত্তিক লেনদেন তো আছেই। এবার আমরা লক্ষ্য করি একটি উৎপাদন/বাজারজাতকরণ প্রতিষ্ঠানের দিকে। সাধারণত প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ শ্রমিক/কর্মকর্তাদের জন্য শুধু একটি নির্দিষ্ট বেতন নির্ধারণ করে থাকেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় মালিকপক্ষ ক্ষমতাশালী হওয়ার কারণে শ্রমিক/কর্মচারীগণ সময়মত তাদের শ্রমের মূল্য পায় না। সেক্ষেত্রে তাদের কিছুই করার থাকে না।
  • এমতাবস্থায় শ্রমিক/কর্মকর্তাগণ অসহায় হয়ে পড়ে। পক্ষান্তরে যদি প্রতিষ্ঠানের মুনাফার পরিমান বেশি হয়, তখন কিন্তু সেই শ্রমিক/কর্মচারীগণ এর সুফল লেশ মাত্রও পায় না।
  • এবার একটু ভিন্নভাবে দেখি, একটি কোম্পানী তার নিজের মোট মুনাফা থেকে শ্রমিক খাতের জন্য বরাদ্দ করেছে ৩০% আর কর্মকর্তাদের জন্য ৩০%, অবশিষ্ট অংশ তথা ৪০% প্রতিষ্ঠানের নিজের জন্য বরাদ্দ। যদি প্রতিষ্ঠান তার দ্বিগুণও মুনাফা করে তাহলে কিন্তু ঐ শ্রমিক/কর্মকর্তাদের বেতন একই থাকে। দেখা যায় একই প্রতিষ্ঠান তার ব্যবসার অবস্থা ভাল হওয়ার কারণে মালিক লাখপতি থেকে কোটিপতি বনে যায়, অথচ সেই প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক/কর্মকর্তাগণ পূর্বের অবস্থায়ই থেকে যায়। যদিও প্রতিষ্ঠানের এই উন্নতি তাদেরই পরিশ্রমের ফল। তো এবার বলতে পারেন, বুশরা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন লিঃ এক্ষেত্রে নতুন কিছু কি? হ্যা বন্ধু, আপনি ঠিকই ধরেছেন। বুশরা নামক একটি প্রতিষ্ঠানের আবির্ভাব ঘটেছে। তার কিছু স্বল্প পুজিঁ রয়েছে। যার দ্বারা সে ইতিমধ্যেই ব্যবসাও আরম্ভ করেছে। কিন্তু তার ও স্বল্প পূজি দিয়ে লক্ষ্যে পৌছতে পারছে না। প্রয়োজন অনেক পূজির। তাহলে কি বুশরা ব্যাংকের দারস্থ হবে? না। কারণ অন্য আর দশটি প্রতিষ্ঠান থেকে বুশরা সম্পূর্ণ আলাদা যা আপনরা শুরুতেই জেনেছেন।
  • বুশরা চায় শেয়ার সংগ্রহ করার মাধ্যমে সে পূজির ঝুলিকে ভারি করার মধ্য দিয়ে তার লক্ষ্যে পৌছুতে এবং পূজি বিনিয়োগকারী বেকার জনশক্তির কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে। সম্মানিত সুধী, আপনি অবশ্যই চাইবেন এরূপ একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের বুকে প্রতিষ্ঠা লাভ করুক এবং ব্যতিক্রমধর্মী কর্মপন্থার মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেশ ও জাতির কল্যাণে এগিয়ে আসুক।